পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পোর্টফোলিও বৈচিত্র্যকরণের নীতি বা ব্যবসায়ের বৈচিত্র‍্যায়ন ও ঝুঁকি বণ্টন (Principles of Diversity)

ছবি
ব্যবসায়ের বৈচিত্র‍্যায়ন ও ঝুঁকি বণ্টন নীতির মূল কথা হলো কোনো একটি বিশেষ প্রকল্পে অত্যধিক অর্থ বিনিয়োগ না করে একাধিক প্রকল্পে অর্থ বিনিয়োগ করে ঝুঁকি হ্রাস করা। কারণ ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা হ্রাসকরণ বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে অপরিহার্য। তহবিল বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ের পণ্য বা সেবা যতদূর সম্ভব বৈচিত্র্যপূর্ণ হলে ব্যবসায়ের ঝুঁকি বণ্টিত হয় ও হ্রাস পায়। প্রতিটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান অনিশ্চিত ভবিষ্যৎকে কেন্দ্র করে মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করে। ফলে ব্যবসায়কে নানামুখী ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হয়।  এই ঝুঁকিগুলো বিভিন্ন কারণে সৃষ্টি হতে পারে। যেমন: অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক প্রেক্ষাপটের পরিবর্তন, বাজারে নতুন পণ্যের উপস্থিতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, আকস্মিক দুর্ঘটনা ইত্যাদি। এসব পরিবর্তনগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা বা এর জন্য প্রস্তুতি নেওয়া ব্যবস্থাপকদের পক্ষে সাধারণত সম্ভব নয়। তবে ঝুঁকি বণ্টনের নীতি অনুসরণের ফলে অনিশ্চিত বাজার পরিস্থিতিতেও প্রত্যাশিত মুনাফা অর্জন সম্ভব। একজন ব্যবসায়ী যদি শুধু একধরনের পণ্যের ব্যবসা করে, তাহলে ব্যবসায়ের মুনাফা অর্জন বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। পক্ষান্তরে ব্যবসায়ের প...

উপযুক্ততার নীতি (Hedging Principles)

ছবি
উপযুক্ততার নীতি  অর্থ সংগ্রহ ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ নীতির মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, ব্যবসার চলতি সম্পত্তি স্বল্পমেয়াদি উৎস থেকে এবং স্থায়ী সম্পত্তি দীর্ঘ ও মধ্যমেয়াদি উৎস থেকে সংস্থান করা উচিত। উদাহরণস্বরূপ, ব্যবসার যে কোনো চলতি সম্পত্তি যেমন-মজুদপণ্যের অর্থায়ন করতে হলে এ নীতি অনুযায়ী অবশ্যই তা স্বল্পমেয়াদি কোনো উৎস যেমন-বাণিজ্যিক ব্যাংক, ব্যবসায় ঋণ দিয়ে অর্থায়ন করা উচিত। অন্যদিকে ব্যবসার কোনো স্থায়ী সম্পত্তি যেমন- জমি, যন্ত্রপাতি প্রভৃতির জন্য অর্থায়ন দীর্ঘ বা মধ্যমেয়াদি যে কোনো উৎস যেমন- আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি ঋণ, বন্ড ও শেয়ার বিক্রয় ইত্যাদির মাধ্যমে অর্থায়ন করা উচিত।

তারল্য বনাম মুনাফানীতি (Principles of Liquidity and Profitability)

ছবি
যে কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মূলধন বিনিয়োগের মাধ্যমেই মুনাফা অর্জন করা হয়। অর্থাৎ মূলধন বিনিয়োগ না করে বা কমিয়ে তারল্য বৃদ্ধি করা সম্ভব, তবে তাতে লাভের পরিমাণ কম হবে। আবার সমুদয় মূলধন বিনিয়োগ করলে তারল্য কমে যাবে। তাই এহেন পরিস্থিতিতে আর্থিক নির্বাহীগণ ব্যবসার তারল্য ও লাভ অর্জন ক্ষমতার মধ্যে সমন্বয়সাধনের মাধ্যমে সম্পদের ব্যবস্থাপনা করে থাকে। এই তারল্যের সাথে ব্যবসার অর্জিত মুনাফার সম্পর্ক পরস্পরবিরোধী। তাই কাম্য পরিমাণ তারল্য ব্যবসায়ে অবশ্যই রাখতে হবে; অন্যথায় ব্যবসার চলতি দায় পরিশোধে অসুবিধা হবে। এমতাবস্থায় ব্যবসার তারল্য ও লাভ অর্জন ক্ষমতার মধ্যে সুষ্ঠু সমন্বয় অবশ্যই প্রয়োজন। যেমন: একজন দোকানি তার প্রতিদিনের বিক্রয়লব্ধ নগদ আয় (তরল সম্পদ) সম্পূর্ণটাই কাঁচামাল ক্রয় ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য ব্যয়ের কথা চিন্তা করে নিজের কাছে রেখে দিতে পারে অথবা সেই নগদ অর্থের কিছু অংশ কাঁচামাল ক্রয়ের জন্য রেখে বাকিটা কোনো ব্যাংকের একাউন্টে জমা রাখতে পারে, যা থেকে নির্দিষ্ট সময়ে কিছু সুদ/মুনাফা পাওয়া সম্ভব। এক্ষেত্রে দোকানিকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়, নগদ অর্থ কী পরিমাণ নিজের কাছে রাখলে দৈনন্দ...

অর্থায়নের কার্যাবলি (Functions of Finance)

ছবি
(ক) আর্থিক পরিকল্পনা : অর্থায়নের প্রথম কাজ হলো আর্থিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা। কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য অর্জনে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সরকারের বিশেষ বিশেষ উদ্দেশ্যে অর্থের প্রয়োজনীয়তার যে পরিকল্পনা করতে হয় তাকে আর্থিক পরিকল্পনা বলে। আর্থিক পরিকল্পনার সময় অর্থের প্রয়োজনীয়তা এবং প্রয়োজনীয় অর্থের পরিমাণ, সময় ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করতে হয়। (খ) উৎস শনাক্তকরণ : আর্থিক পরিকল্পনা করার পর অর্থায়নের অন্যতম কাজ ওই প্রয়োজনীয় অর্থ কোন কোন উৎস থেকে পাওয়া যেতে পারে তা চিহ্নিতকরণ। এটা হতে পারে কোনো ব্যক্তি, বন্ধুবান্ধব বা কোনো আত্মীয়স্বজন, কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বা অন্য কোনো বাহ্যিক কোনো উৎস থেকে। (গ) তহবিল সংগ্রহ : শনাক্তকৃত উৎস হতে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করা অর্থায়নের তৃতীয় কাজ। তহবিল সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নিয়ম-নীতি, শর্ত ও সময় বিবেচনা করতে হয়। এই সব নিয়ন-কানুন ও শর্ত বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় অর্থ এক বা একাধিক উৎস হতে সংগ্রহ করা অর্থায়নের অন্যতম কাজ। (ঘ) মূলধন বাজেটিং সিদ্ধান্ত : কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে মূলধন বাজেটিং সিদ্ধান্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ...

কারবারি অর্থায়নের গুরুত্ব (Importance of Business Finance)

ছবি
বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক মুক্তবাজার ব্যবস্থায় মুনাফা অর্জনের জন্য প্রতিটি সরকারি, বেসরকারি, আন্তর্জাতিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ গুরুত্বের সাথে পূর্ব পরিকল্পনামাফিক অর্থায়ন করতে হয়। সুচিন্তিত ও সুদক্ষ অর্থায়ন ব্যবস্থাপনার ব্যবহারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর ঝুঁকি হ্রাস পায় এবং মুনাফা বৃদ্ধি পায়। নিচের বিষয়সমূহ অর্থায়ন ব্যবস্থাপনাকে অধিক অর্থবহ করে তোলে। ক) ব্যবসায়িক মূলধন-সংকট : বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অর্থায়ন সম্পর্কিত ধারণা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ বলে আর্থিক সংকট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। এই সংকটের জন্য কারবার প্রতিষ্ঠান সুচারুরূপে পরিচালনা করা একটি দুরূহ কাজ। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একটি প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল কেনা প্রয়োজন কিন্তু অর্থসংকটের জন্য সে যদি যথাসময়ে উপযুক্ত পরিমাণে কাঁচামাল কিনতে অপারগ হয়, তাহলে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদনপ্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। অর্থায়ন-সংক্রান্ত ধারণা তাকে পরিকল্পনামাফিক যথাসময়ে প্রয়োজনীয় পরিমাণে অর্থ সংগ্রহ ও তার যথার্থ ব্যবহারে সহায়তা করে । খ) অনগ্রসর ব্যাংক ব্যবস্থা : উপরন্তু উন্নত ...

ব্যবসায় অর্থায়ন (Business Finance)

ছবি
অর্থায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধরন হচ্ছে ব্যবসায় অর্থায়ন বা বিজনেস ফাইন্যান্স। মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে লাভ-ক্ষতির ঝুঁকি নিয়ে গঠিত সংগঠনকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বলা হয়।  ফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তার তহবিল সংগ্রহ ও বিনিয়োগের জন্য যে অর্থায়ন প্রক্রিয়া ব্যবহার করে, সেটিই ব্যবসার অর্থায়ন।

অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের অর্থসংস্থান (Finance of Non Trading Organisation)

ছবি
সমাজে এমন কিছু প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা থাকে, যা মানবকল্যাণে বা দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত। এ ধরনের প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য অর্থ বা অর্থের সমতুল্য পণ্য বা সেবার প্রয়োজন আছে এবং সেই অর্থের দক্ষ ব্যবস্থাপনারও প্রয়োজন আছে। এ ক্ষেত্রে অর্থায়ন যে ভূমিকা রাখে তা হচ্ছে অর্থ ও অর্থ সমতুল্য সম্পদ সংগ্রহের উৎস চিহ্নিতকরণ এবং তার সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির সেবামূলক উদ্দেশ্যকে সফল করা।  উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একটি এতিমখানা মুনাফাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান নয়। তবে এটিরও অর্থের প্রয়োজন আছে। বিভিন্ন অনুদানের মাধ্যমে এরা অর্থ সংগ্রহ করে। সংগৃহীত অর্থ ব্যয় করা হয় এতিমদের বিভিন্ন উন্নয়নে। ফলে অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের অর্থের উৎস চিহ্নিতকরণ এবং উদ্দেশ্য অর্জনে এর যথাযোগ্য ব্যবহার নিশ্চিত করাই অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নের মূল উদ্দেশ্য।

আন্তর্জাতিক অর্থায়ন (International Finance)

ছবি
আন্তর্জাতিক অর্থায়নে আমদানি ও রপ্তানির খাতগুলো নিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়। বাংলাদেশ প্রধানত আমদানিনির্ভর দেশ। প্রতিবছর বিপুল পরিমাণে খাদ্যসামগ্রী, কাঁচামাল, মেশিনারিজ, ঔষধ, পেট্রোলিয়াম ইত্যাদি বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।  অপরপক্ষে বাংলাদেশ থেকে পাট ও পাটজাতদ্রব্য, তৈরি পোশাক, কৃষিজাত দ্রব্য ইত্যাদি রপ্তানি করা হচ্ছে। রপ্তানি হতে আমদানি বেশি করতে হয় বলে প্রতিবছর বিরাট অংকের বাণিজ্যঘাটতি দেখা যায়। এই ঘাটতি পূরণে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থ বা রেমিটেন্স বিশেষ ভূমিকা রাখে। আন্তর্জাতিক অর্থায়নে আমদানি ও রপ্তানি খাতসমূহ নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং এ সংক্রান্ত ঘাটতি কীভাবে ব্যবস্থাপনা করা যায় তা আলোচনা করা হয়।

সরকারি অর্থায়ন (Public Finance)

ছবি
প্রতিটি সরকারের একটি অর্থ ব্যবস্থাপনা আছে। একটি সরকারের প্রেক্ষাপটে তার বার্ষিক ব্যয় কোন কোন খাতে কী পরিমাণে হবে এবং সেই অর্থ কোন কোন উৎস থেকে সংগ্রহ করা যাবে, তা সরকারি অর্থায়নে আলোচনা করা হয়। সরকারকে দেশের সার্বিক উন্নয়নে অনেক খাতসমূহে অর্থ ব্যয় করতে হয়, যেমন: রাস্তাঘাট, সেতু, সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি হাসপাতাল, আইন-শৃঙ্খলা ও প্রতিরক্ষা, সামাজিক অবকাঠামো ইত্যাদি।  এই ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে বিভিন্ন উৎস হতে অর্থ সংগ্রহ করতে হয়, যেমন: আয়কর, মূল্য সংযোজন কর, গিফট ট্যাক্স, আমদানি শুল্ক, রপ্তানি শুল্ক, সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড, ট্রেজারি বিল ইত্যাদি। সরকারি অর্থায়নে প্রথমে ব্যয়ের পরিমাণ নির্ধারণ করে সে অনুযায়ী তহবিল সংগ্রহ করা হয়। সরকারি অর্থায়নের মূল লক্ষ্য সমাজকল্যাণ।

পারিবারিক অর্থায়ন (Family Financing)

ছবি
পারিবারিক অর্থায়নের ক্ষেত্রে পরিবারের আয়ের উৎস ও পরিমাণ নির্ধারণ করে, সেই আয় কীভাবে ব্যয় করলে পরিবারের সদস্যদের সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল হয়, তা নির্ধারণ করা হয়। পরিবারের প্রয়োজনীয় অসংখ্য ব্যয়ের মধ্যে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যয়গুলো পূরণ করা হয়। পরিবারের আয় যদি ব্যয়ের জন্য যথেষ্ট না হয় তবে বিভিন্ন আত্মীয়স্বজন, পরিচিত ব্যক্তি, বন্ধু-বান্ধব থেকে অর্থ ঋণ হিসাবে নেওয়া যায়। নিয়মিত আয়ের সাথে সংগতি রেখে নিয়মিত ব্যয়সমূহ নির্ধারণ করা হয়। স্থায়ী সম্পদ যেমন: টিভি, ফ্রিজ, গাড়ি, গৃহ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া যায়। কিন্তু সংগৃহীত তহবিল সীমাবদ্ধ বলে এর উপযুক্ত ব্যবহার প্রয়োজন। যদি পরিবারের সংগৃহীত তহবিল প্রয়োজনীয় ব্যয়ের তুলনায় বেশি হয়, তবে সেটা ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য সঞ্চয় করা হয়।

অর্থায়নের ধারণা(The Concept of Finance)

ছবি
অর্থায়ন তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করে। কোন উৎস থেকে কী পরিমাণ তহবিল সংগ্রহ করে, কোথায় কীভাবে বিনিয়োগ করা হলে কারবারে সর্বোচ্চ মুনাফা হবে, অর্থায়ন সেই সংক্রান্ত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে। একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মালামাল বিক্রয় থেকে অর্থের আগমন হয়। কারবারে মালামাল প্রস্তুত ও ক্রয় করার জন্য বিভিন্ন ধরনের তহবিলের প্রয়োজন হয়।  যেমন: মেশিনপত্র ক্রয়, কাঁচামাল ক্রয়, শ্রমিকদের মজুরি প্রদান ইত্যাদি। এগুলো তহবিলের ব্যবহার। তহবিলের এই প্রয়োজন অনুযায়ী পরিকল্পনামাফিক তহবিল সংগ্রহ করতে হয়, যেন উৎপাদনপ্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে। অর্থায়ন বলতে তহবিল সংগ্রহ ও ব্যবহার-সংক্রান্ত এই প্রক্রিয়াকে বুঝায়।